Free delivery on orders over ৳500Cash on Delivery available100% authentic productsFast delivery in 30 minutesNew arrivals every dayFree delivery on orders over ৳500Cash on Delivery available100% authentic productsFast delivery in 30 minutesNew arrivals every day
কেনাকাটাDaily Essentials Delivered
চিয়া সীড
Food

চিয়া সীড

New
৳700৳800-13%/ 1 Kg
In stock · only 5 left
Suja's Food HeavenVisit shop →
Quantity
1
Fast delivery
100% authentic
Easy return

Description

🍇🍇চিয়া সীড কি? চিয়া সীড হচ্ছে একধরনের শস্য দানা। চিয়া সীডের টেস্ট বা স্বাদ কেমন? এটার স্বাদ পুদিনা পাতার মত অনেকটা । 🍇🍇চিয়া সীড এর প্রকারভেদ : 🍇🍇চিয়া সীড ২ প্রকার হয়ে থাকে। ১:কালো রঙের ২: শ্বেত রঙের । ছোট আকারের এই সীডটির খাদ্যমান অনেক উচ্চমাত্রার। 🍇🍇চিয়া সীডের আদি নিবাস: চিয়া সীডের আদি নিবাস মেক্সিকোতে হলেও ক্যালিফোর্নিয়া এবং ব্রিটেনে এটি বেশ জনপ্রিয়। মরুভূমির সালভিয়া হপ্পনিকা ( এটা উদ্ভিদ শ্রেনীর নাম) শ্রেণীর উদ্ভিদ থেকে চিয়া সীড এসেছে। প্রাচীনকালে অ্যাজটেক & মায়া সভ্যতার গুরুত্বপূর্ণ খাবার ছিলো চিয়া সিড। তারা একে এর দীর্ঘস্থায়ী শারীরিক শক্তিদানের ক্ষমতার জন্য খুব মূল্যবান মনে করত। মূলত,প্রাচীন মায়া ভাষায় ‘চিয়া’ অর্থ ‘শক্তি’। 🍇🍍🥭সুপারফুড চিয়া সীডের পুষ্টিগুণ:- পুষ্টিগুণে ভরপুর উদ্ভিজ্জ খাদ্যবস্তু, সুপারফুড চিয়াসিড যা আমাদের স্বাস্থ্যের জন্য খুবই উপকারী। চিয়া সীডে বিদ্যমান থাকে কার্বোহাইড্রেট,প্রোটিন, ফ্যাট, ওমেগা -৩, ফাইবার,ফসফরাস & ম্যাংগানিজ। 🍍🍍এছাড়া চিয়া সীডে আরও বিদ্যমান থাকে ▶️ ভিটামিন বি ▶️জিংক ▶️থায়ামিন ▶️নিয়াসিন ▶️ক্যাফিক এসিড ▶️আয়রন 🍇🍇বিশেষজ্ঞদের গবেষণার ফলাফল মতে প্রতি ২৮ গ্রাম চিয়া সীডে বিদ্যমান ▶️ফাইবার- ১১ গ্রাম , ▶️ফ্যাট- ৯ গ্রাম (যেখানে ৫ গ্রাম ওমেগা ৩ থাকে▶️প্রোটিন -৪ গ্রাম 🍇🍇সুপার ফুড কি & চিয়া সীডকে কেন সুপার ফুড বলে? সাধারণত পুষ্টিগুণে ভরপুর উদ্ভিজ্জ যে খাদ্য বস্তু গুলো আমাদের স্বাস্থ্যের জন্য খুবই উপকারী, তাদেরকে সুপার ফুড বলা হয়।চিয়া সীড ও পুষ্টিগুণে ভরপুর এজন্য এটাকেও সুপার ফুড বলা হয়। প্রাচীনকালের ইতিহাসে চিয়া সীড প্রধান খাদ্য হিসাবে জায়গা পেলেও অল্প কিছুদিন হল চিয়া সিড আধুনিক সময়ের ‘সুপার ফুড’ হিসেবে মানুষের কাছে স্থান পেয়েছে। গত কয়েক বছরে সোস্যাল মিডিয়া এর কল্যাণে এর জনপ্রিয়তা বেড়েছে । এখন এটা বিভিন্ন দেশের স্বাস্থ্য সচেতন মানুষেরা এটা খাচ্ছে।। বিশ্বের সুপার ফুড গুলোর মধ্যে চিয়া সীড ও অন্যতম। 🍇🍇🍇চিয়া সিড খাওয়ার উপকারিতা - ▶️ওজন কমাতে সাহায্য করে ▶️ এনার্জি & স্টামিনা বাড়াতে সাহায্য করে। ▶️ইমিউন সিস্টেম শক্তিশালী করতে ভূমিকা রাখে। ▶️ব্লাড সুগার লেভেল নরমাল রাখতে সাহায্য করে। ▶️ব্লাড প্রেসার ও কোলেস্ট্রল কমাতে সাহায্য করে। ▶️ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণে রাখতে ভূমিকা রাখে। ▶️সঠিক সময়ে & পরিপূর্ণভাবে ঘুম হতে সাহায্য করে। ▶️হজমের ক্ষেত্রে সাহায্য করে। চিয়া বীজ হচ্ছে স্বাস্থ্যকর& অত্যধিক পুষ্টিকর খাবারের মধ্যে একটি ধরা হয়। শরীর আর মস্তিষ্কের জন্য অত্যন্ত উপকারি পুষ্টি দিয়ে ভর্তি চিয়া সিড । 🍇🍇সুপার ফুড চিয়া সীড এর উপকারিতা ▶️ চিয়া সীডে বিদ্যমান থাকে উচ্চমাএার এন্টিঅক্সিডেন্ট এন্টিঅক্সিডেন্ট ত্বক ও দেহের অভ্যন্তরীণ কোষ রক্ষণাবেক্ষণে বেশ উপকারি ৷ চিয়া সীডে থাকা এন্টিঅক্সিডেন্ট আমাদের ত্বকের স্পর্শকাতর ফ্যাট রক্ষা করে। তাছাড়া ত্বকে বলিরেখা পড়া রোধ এবং কোষ গুলোকে ক্ষতির হাত থেকে রক্ষা করে। ▶️চিয়া সীডে বিদ্যমান রয়েছে উচ্চমাত্রার প্রোটিন প্রোটিন যা আমাদের দেহের জন্য অত্যন্ত উপকারি। তবে বর্তমানে অধিক প্রোটিন গ্রহণ দেহের ক্ষতির কারণ হয়ে দাড়ায়। চিয়া সীড সেক্ষেত্রে আপনার জন্য বেশ উপযোগী একটি খাবার ৷ প্রতিদিন ২৮ গ্রাম চিয়া সীড খেলে ৪ গ্রাম প্রোটিন পাওয়া যায়। যাদের প্রোটিন গ্রহণে সমস্যা আছে বা যারা নিরামিষ ভোজী, তারা খুব সহজে বিকল্প হিসেবে চিয়া সীড নিয়মিত গ্রহনের মাধ্যমে প্রোটিন পেয়ে যাবেন। ▶️চিয়া সীডে থাকে উচ্চমাত্রার ওমেগা-৩ ফ্যাটি এসিড । গবেষণায় দেখা গেছে স্যালমন মাছের তুলনায় বেশি ওমেগা -৩ ফ্যাটি এসিড পাওয়া যায় চিয়া সীডের ভিতরে । ওমেগা -৩ ফ্যাটি এসিডের অত্যধিক গুরুত্বপূর্ণ উপাদান হচ্ছে ALA( alpha linolenic acid) যা হার্ট সুস্থ রাখতে সাহায্য করে। ▶️হাড়ের সুস্থতায় চিয়া সীড হাড়কে সুস্থ ও মজবুত রাখতে,আমরা জানি প্রোটিন সমৃদ্ধ খাবার খাওয়া ছাড়া বিকল্প নেই। কিন্তু বর্তমান সময়ের গবেষণার এক রিপোর্টে উঠে এসেছে যে, চিয়া সীডে রয়েছে ক্যালসিয়াম, ফরসফরাস এবং প্রোটিন। চিয়া সীডে বিদ্যমান থাকে ক্যালসিয়ামে রয়১৮%। যা আপনার হাড়কে সুস্থ রাখতে যথেষ্ট। মজার বিষয় হচ্ছে, যে কোন ডেইরি প্রোডাক্টের চেয়ে বেশি পাওয়া যায়। নিরামিষ ভোজী থেকে আমিষ ভোজী সকলের জন্য চমৎকার ক্যালসিয়ামের উৎস চিয়া সীড। ▶️রক্তের সুগার লেভেল হ্রাস করতে সাহায্য করে রক্তের সুগার লেভেল বৃদ্ধি পাওয়া মানে টাইপ-২ ডায়বেটিসের প্রধান লক্ষণ। ক্রমাগত ভাবে রক্তের সুগার লেভেল এভাবে বৃদ্ধি পাওয়া হার্টের সমস্যা বৃদ্ধির অন্যতম কারণ। আশার কথা হচ্ছে চিয়া সীড নিয়মিত গ্রহনে রক্তে ইনসুলিনের সেনসিটিভিটি মাএা হ্রাস করতে সাহায্য করে। নিয়মিত চিয়া সীড আপনাকে অনেকটা রক্তের সুগার লেভেল বৃদ্ধি হওয়া হ্রাস করতে সাহায্য করবে এবং হার্টকে সুস্থ রাখবে ইনশাআল্লাহ। ▶️ত্বকের সংক্রমনের মাএা হ্রাস করে :- প্রতিদিনের দূষণ, অস্বাস্থ্যকর খাবার গ্রহণ এবং কৃএিম প্রসাধনীর দাপটে ত্বকের সংক্রমণ নিত্য বিষয় হয়ে দাড়িয়েছে আমাদের জীবনে। চিয়া সীড আপনাকে এই ত্বকের সংক্রমণের হাত থেকে রক্ষা করবে। প্রতিদিন ৩৭ গ্রাম নিয়মিত গ্রহণে ত্বকের এই সমস্যা থেকে মুক্তি মিলবে। মূলত এর নিয়মিত গ্রহণ রক্তের কনিকা সমূহ সুস্থ থাকে এবং ত্বকে অক্সিজেনের মাএা বৃদ্ধি করে। ফলে আপনার ত্বক ভিতর ও বাহির থেকে হয়ে ওঠে স্বাস্থ্যস্থ্য ওজন কমাতে সাহায্য করে চিয়া সীড আপনার ডায়েট চার্টের জন্য যথা উপযুক্ত খাবার৷ কারন চিয়া সীড আপনি যে খাবারের সাথে মিশিয়ে গ্রহণ করুন না কেন, পেটে যাবার পর তা ফুলতে শুরু করে এবং আপনার পেট ভরে যায়। ফলে ক্ষুধা কমে যায় এবং অতিরিক্ত খাদ্য গ্রহণ করার প্রবনতা হ্রাস পায় । সেক্ষেত্রে আপনার বাড়তি ওজন সহজে ঝরে গিয়ে চলে আসবে স্বাভাবিক আকারে। এখানে একটু বলে রাখা ভালো,চিয়া সীড খাবার হজমে বেশ সহায়তাকারি। চিয়া সীড মানবদেহের জন্য খুবই উপকারি সব দিক থেকে। আপনার দেহের অভ্যন্তরীণ রক্ষণাবেক্ষণ সহ বাহ্যিক সৌন্দর্যের জন্য চিয়া সীড কাজ করে থাকে। তাই বলা যায়, শুধু শরীর সুস্থ রাখতে এবং সৌন্দর্য ধরে রাখতে চিয়া সীডের ভূমিকা অসামান্য। 🍺🍺চিয়া সীড বিভিন্ন ভাবে খেতে পারেন :: 🍇🍇বিশ্বের বিভিন্ন দেশে চিয়াসিড খাওয়ার নিয়ম বিভিন্ন রকম। স্বাদ ও ঘ্রাণবিহীন এই খাদ্যটি যেকোনো খাবারের সাথেই খেতে পারেন। 🥭🥭স্মুথি তৈরি করে চিয়াসিড স্মুথি বানিয়ে খেতে বেশি পছন্দ করে থাকে অনেকেই। ব্লেন্ডার এর সাহায্যে টক-দই, চিয়া সিড, ও শসা দিয়ে একসাথে মিক্সড করে স্মুথি তৈরি করে খেতে পারেন । আবার কলা, খেজুর, বাদাম ও চিয়াসিড একত্রে স্মুথি বানিয়ে খাওয়া যায় । 🥭🥭বিভিন্ন সালাদের সাথে খেতে পারেন বিভিন্ন সালাদ / কাটা ফলমূলের উপরে চিয়া সিড ছিটিয়ে খেতে পারেন । চিয়াসিড খাওয়ার নিয়ম এর এটিই সবচেয়ে সহজ এবং& জনপ্রিয়। 🥭🥭বিভিন্ন প্রকার ফলের জুসের সাথে যেকোন প্রকার ফলের জুসের সাথে চিয়াসিড মিশিয়ে জুসের পুষ্টিগুণ বাড়িয়ে ফেলতে পারেন। এছাড়া বাসায় চিয়া ড্রিংকস বানিয়েও খেতে পারেন। এজন্য ২ কাপ পরিমান নারিকেলের পানি কিংবা পছন্দ মতো বিভিন্ন ফলের রসের সাথে ২ থেকে ৩ টেবিল চামচ চিয়াসিড দিয়ে মিশ্রণ তৈরি করুন।এছাড়া প্রয়োজনে অতিরিক্ত পানি যোগ করতে পারেন। 🥭🥭কিভাবে পান করতে পারেন ১ গ্লাস পানিতে ১ চা চামচ চিয়া সিড ৩০ মিনিট থেকে ১ ঘন্টা ভিজিয়ে রেখে খালি পেটে খেলে শরীরের উপকার হয়। আবার চা এর সাথে মিশিয়ে খেতে পারেন। এছাড়া স্যুপের সাথেও চিয়া সিড খাওয়া যায়। সকালে ও রাতে পানি ও লেবুর রসের সাথে চিয়া সিড খেলে পেটের উপরকার হয়ে থাকে। 🥭🥭বাসায় রান্না করা বিভিন্ন খাবারের সাথে : বাড়িতে তৈরী করা খাবার যেমন▶️ কেক, ▶️পরোটা▶️বিস্কুট ▶️পুডিং বানানোর সময় এসব খাবারের সাথে চিয়া সিড মেশানো যায়। এতে খাবারগুলোর পুষ্টিগুণ অনেক বেড়ে যায়।

Reviews

(0)

No reviews yet

You may also like